বাংলাদেশ ও মায়ানমার

 বাংলাদেশ- মায়ানমার সর্বশেষঃ মায়ানমার থেকে নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য যারা আমাদের দেশে (বাংলাদেশে) পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে আমরা তাদের রোহিঙ্গা বলি। ২৫শে  অগাস্ট ২০১৭ সালে মায়ানমার সেনাবাহিনীর হাত এ ক্ষমতা গেলা তারা সংখ্যালঘু মুসলিম রাখাইনদের (রোহিঙ্গ) গণহত্যা শুরু করে। নারীদের ধর্ষণ, নির্যাতন , খুন করে। ছোট ছোট বাচ্ছাদের কুপিয়ে জখম, পায়ের তলাই পিষে হত্যা করা হয়। এমন অবস্তাই তারা জীবন রক্ষার জন্য নাফ নদী  (বাংলাদেশর সবচাইতে গভীর নদী) পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশ এ প্রবেশ করে । তৎকালীন বাংলাদেশর  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয়ই দান করা। সেই সময় প্রায় ৭,০০০০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয়ই নেন।


 

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭৩ তম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন যে বাংলাদেশে এখন ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে।



[ বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলিতে সাম্প্রতিক জনসংখ্যার উপচে পড়া ভিড় তার পরিকাঠামোয় এক চাপ সৃষ্টি করেছে।  শরণার্থীদের পরিষেবা, শিক্ষা, খাদ্য, পরিষ্কার জল এবং সঠিক স্যানিটেশনের অ্যাক্সেসের অভাব রয়েছে;  তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সংক্রামক রোগ সংক্রমণেও ঝুঁকিপূর্ণ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url